ছোট ছড়া ১১

বনতুলসীর গন্ধ নিই,
বাক্সজানলা বন্ধনী,
ফ্রেমের ছবি, তাই বলে কি করবেনা?

কাঠের পালিশ পাঁচ আঙুলে,
সত্যি বলছি, তোমায় ছুঁলে
আমারটাও এক কাগজে ধরবেনা।

ছোট ছড়া ১০

আকাশে জলের ছায়া কালো,
কারা তাকে কবিতা শেখালো
ঝোড়ো শব্দে? আদিগন্তসীমা
গোধূলি উড়েছে এত! চোখে মেঘ…ঢলপূর্ণিমা…

ছোট ছড়া ৯

অবশেষে, বধূবেশে অবন্তী বড়ালও
শীতের সীমন্তপথে, হা-ক্লান্ত খোলস ফেলে অযথা গড়ালো।
দ্রোহক্ষতে অনুলিপ্ত আদ্যন্ত গোধূলি,
কর্ষহীন সান্ধ্যভ্রমণসঙ্গী কনে-দেখা-আলো।

অক্লান্তগুঞ্জন

বড় মুখর হলেন প্রভু।
তাঁকে কত নিরস্ত করা!
তিনি আলাপমুখর তবু।

তাঁর এটাই বোধহয় খেলা।
এই কুস্তিছন্দ, আড়লয়,
না’তো এমন সন্ধ্যাবেলা
কেউ সৃষ্টিকল্পে বার হয়!

তাঁকে গীতচ্যুত করলে
শেষে নিজের ভাগেই কমতি,
তাই অপেক্ষমান অন্তিম।
তিনি আলতোকণ্ঠে ধরলেন
মালকোষ যে মুহূর্তে -

সব স্তব্ধ স্বতঃস্ফূর্তে।
সে কি মুগ্ধে, নাকি ত্রস্তে, সে কে বলবে?
তিনি জবরদস্তি স্রষ্টা –
যেন ধ্যাষ্টা‌মোর মতন।
তাঁর গোঁয়ার-গীতি অনির্বা‌প্ত –
অক্লান্তগুঞ্জন।

ছোট ছড়া ৭

তোমায় গুগল মেলে লিখলে প্রেমের মন্ত্র
সবাই যুগলবন্দী কুকুর বলে দুষছে,
বরং এমনি রাখো – আঙুল-কাটা যন্ত্রে,
যেমন আর সকলে সত্যি কুকুর পুষছে…